ভারত বিরোধিতা করে পদচ্যুত হতে চলেছে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলির, এখন গদি বাঁচানো দায় হয়ে পড়েছে ওলির
চীনের সঙ্গে সহযোগিতা করে ভারত বিরোধিতা করছে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি এমনটাই ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞগণ। ভারতের সঙ্গে নেপালের বন্ধুত্বের সম্পর্ক বহু প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে নেপালের সংস্কৃতি এবং ভারতের সংস্কৃতি একে অপরের সঙ্গে প্রাচীনকাল থেকেই মিলেমিশে একাকার হয়ে রয়েছে।
তবে এবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী অলি চীনের সাথে বন্ধুত্ব করে বিভিন্নভাবে ভারতবিরোধী কথাবার্তা বলছেন এমনকি ভারতের কিছু অংশ তাদের নিজেদের বলেও দাবি করেছেন। এবং শুধু দাবি করেছেন এমনটি বলা চলে না সেই জায়গা গুলি তাদের নিজেদের মানচিত্রের সঙ্গে যুক্ত করেছেন, তবে নেপালের এই সিদ্ধান্তকে ভারত কখনোই কোনভাবে মেনে নেয়নি এবং ভবিষ্যতে মানবে না।
শনিবার রাতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিজের বালুয়া টারের বাসভবনে বসিয়ে রেখে অলি নিজেই গিয়েছিলেন শীতল ভবনে রাষ্ট্রপতি শীতল ভান্ডারীর সঙ্গে পরামর্শ করতে।
এর আগে রাষ্ট্রপতি কে দিয়ে সংসদের বাজেট প্রেস স্থগিত করে অনাস্থার সম্ভাবনা আটকে ছিলেন ওলি।
এবার তিনি অর্ডিন্যান্স এনে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। হেই অর্ডিন্যান্সে দলীয় নেতৃত্ব ও সংসদীয় দলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ও প্রধানমন্ত্রী থাকার বিধান আনা হতে পারে।
দলে কোণঠাসা হয়ে যাওয়ার পরে জাতীয়তাবাদী জিগির তুলতে ভারতের তিনটি এলাকা লিপুলেখ , লিম্পিয়াধরা ও কালাপানি কি অন্তর্ভুক্ত করেন তাদের নতুন মানচিত্রে।
এবং পার্লামেন্টে সেটার অনুমোদন করানো নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি।
অনেকের অনুমান চীনের সঙ্গে পরামর্শ করেই এইরকম বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি। এর ফলে দেশ দ্রোহী বদনাম থেকে বাঁচতে অনেক দল কে তার পাশে আনলেও তীব্র বিরোধিতা করেছেন নেপালের অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
প্রচন্ড নেপাল গোষ্ঠীর অভিযোগ: দলকে অন্ধকারে রেখে ভারতের সঙ্গে বিরোধিতার সম্পর্ক করে ভয়াবহ কূটনৈতিক সমস্যা ডেকে নিয়ে এসেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী ওলি।ভারতের বিরুদ্ধে তোলা তার অপ্রমাণিত অভিযোগ তার পদের সঙ্গে মানানসই নয় এমনটাই বলেছেন এই গোষ্ঠীর নেতারা।
ভারতের সঙ্গে বিরোধিতা করার পর নেপালের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো এখন অনেক ভেঙে পড়েছে যার ফলে নেপালে 1 কেজি নুনের দাম এখন 100 টাকা এবং 1 কেজি রান্নার তেলের দাম 260 টাকা হয়ে পড়েছে।
ওলি অভিযোগ করেছেন ভারতী তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য পরিকল্পনা করেছে।কিন্তু তার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার দলের স্থায়ী কর্মীদের দলীয় বৈঠক হয় এবং বৈঠকে',
দলীয়কর্মী প্রচন্ড বলেছেন; না ভারত নয়, আমি আপনার পদত্যাগের জন্য দাবি করছি।
এইরকম দলের মধ্যে বিরোধিতার ফলে বর্তমানে ওলি এবং পছন্দের মধ্যে দলের মধ্যে চির ধরতে শুরু করেছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর নিউ এখন প্রশ্ন উঠেছে জলের মধ্যে।
তবে এবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী অলি চীনের সাথে বন্ধুত্ব করে বিভিন্নভাবে ভারতবিরোধী কথাবার্তা বলছেন এমনকি ভারতের কিছু অংশ তাদের নিজেদের বলেও দাবি করেছেন। এবং শুধু দাবি করেছেন এমনটি বলা চলে না সেই জায়গা গুলি তাদের নিজেদের মানচিত্রের সঙ্গে যুক্ত করেছেন, তবে নেপালের এই সিদ্ধান্তকে ভারত কখনোই কোনভাবে মেনে নেয়নি এবং ভবিষ্যতে মানবে না।
শনিবার রাতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিজের বালুয়া টারের বাসভবনে বসিয়ে রেখে অলি নিজেই গিয়েছিলেন শীতল ভবনে রাষ্ট্রপতি শীতল ভান্ডারীর সঙ্গে পরামর্শ করতে।
এর আগে রাষ্ট্রপতি কে দিয়ে সংসদের বাজেট প্রেস স্থগিত করে অনাস্থার সম্ভাবনা আটকে ছিলেন ওলি।
এবার তিনি অর্ডিন্যান্স এনে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। হেই অর্ডিন্যান্সে দলীয় নেতৃত্ব ও সংসদীয় দলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ও প্রধানমন্ত্রী থাকার বিধান আনা হতে পারে।
দলে কোণঠাসা হয়ে যাওয়ার পরে জাতীয়তাবাদী জিগির তুলতে ভারতের তিনটি এলাকা লিপুলেখ , লিম্পিয়াধরা ও কালাপানি কি অন্তর্ভুক্ত করেন তাদের নতুন মানচিত্রে।
এবং পার্লামেন্টে সেটার অনুমোদন করানো নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি।
অনেকের অনুমান চীনের সঙ্গে পরামর্শ করেই এইরকম বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি। এর ফলে দেশ দ্রোহী বদনাম থেকে বাঁচতে অনেক দল কে তার পাশে আনলেও তীব্র বিরোধিতা করেছেন নেপালের অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
প্রচন্ড নেপাল গোষ্ঠীর অভিযোগ: দলকে অন্ধকারে রেখে ভারতের সঙ্গে বিরোধিতার সম্পর্ক করে ভয়াবহ কূটনৈতিক সমস্যা ডেকে নিয়ে এসেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী ওলি।ভারতের বিরুদ্ধে তোলা তার অপ্রমাণিত অভিযোগ তার পদের সঙ্গে মানানসই নয় এমনটাই বলেছেন এই গোষ্ঠীর নেতারা।
ভারতের সঙ্গে বিরোধিতা করার পর নেপালের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো এখন অনেক ভেঙে পড়েছে যার ফলে নেপালে 1 কেজি নুনের দাম এখন 100 টাকা এবং 1 কেজি রান্নার তেলের দাম 260 টাকা হয়ে পড়েছে।
ওলি অভিযোগ করেছেন ভারতী তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য পরিকল্পনা করেছে।কিন্তু তার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার দলের স্থায়ী কর্মীদের দলীয় বৈঠক হয় এবং বৈঠকে',
দলীয়কর্মী প্রচন্ড বলেছেন; না ভারত নয়, আমি আপনার পদত্যাগের জন্য দাবি করছি।
এইরকম দলের মধ্যে বিরোধিতার ফলে বর্তমানে ওলি এবং পছন্দের মধ্যে দলের মধ্যে চির ধরতে শুরু করেছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর নিউ এখন প্রশ্ন উঠেছে জলের মধ্যে।



Comments
Post a Comment