আপনি কি বন্ধন লোন মুকুব করতে চান ? অথবা যে কোন ব্যাংক লোন মুকুব করতে চান?
নিজস্ব সংবাদ: এই কঠিন পরিস্থিতিতে লোন শোধ করাটা সাধারণ মানুষের কাছে একটা দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ছোটখাটো ব্যবসার উন্নতির জন্য অথবা মুদি দোকানের ব্যবসা এবং মহিলাদের স্বনির্ভর করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঋণ দেয়া হয়ে থাকে তবে বর্তমানে ভাইরাসের কারণে বহু জায়গায় লোন দেয়া বন্ধ করা হয়েছিল । তবে লকডাউন শিথিল হওয়াতে যেসব জায়গাগুলিতে গ্রীন জোন বলা হয়েছে সেই সব জায়গাতে নতুন করে প্রস্তুতি শুরু করেছেন বন্ধন ব্যাংক।
ঠিক এইরকম সময় দেই বহু স্বনির্ভর গোষ্ঠী দল তারা লোন মুকুব এর জন্য নেমে পড়েছেন আন্দোলনে প্রত্যেক ব্যাংকের সামনে।
এমনই বহু সংখ্যক ঋণগ্রহীতা স্বনির্ভর গোষ্ঠী উদাহরণস্বরূপ কালিয়াচক হাওড়া বর্ধমান প্রভৃতি জায়গার স্বনির্ভর গোষ্ঠী লোন মুকুব এর জন্য আর্জি জানানো শুরু করে দিয়েছেন।
এই ধরনের নতুন নতুন ভিডিও পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করুন।
কালিয়াগঞ্জে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দাবি তারা 2007 সাল থেকে বন্ধন ব্যাংক এর কাছ থেকে একের পর এক লোন নিয়েছেন এবং সেই লোন পরিশোধ করেছেন ঠিক সময়ে। এনাদের বক্তব্য আমরা লোন নিয়ে থাকি আমাদের স্বামীদের পাশে সংসারের কাজে সাহায্য করার জন্য তাছাড়া নিজেরাও চেষ্টা করি বিভিন্ন ছোটখাটো ব্যবসা করে স্বনির্ভর হওয়ার জন্য।
ঠিক তেমন ভবেই প্রত্যেক বারের মতো এবারেও আমরা লোন নিয়েছিলাম বন্ধন ব্যাংক থেকে তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে আমরা কখনোই ভাবি নি।
এনাদের বক্তব্য আমরা লকডাউন এর আগে পর্যন্ত বন্ধন ব্যাংকে থেকে যে লোন নিয়েছিলাম সেই লনের নিয়মিতভাবে খিস্তি দিয়ে যাচ্ছিলাম,
কিন্তু বর্তমানে লকডাউন পড়ে যাওয়াতে আমাদের ঘরে ঠিকঠাক উনুনে জ্বালাতে পারছিনা, পেটে খিদে নিয়ে নিজেরা না খেতে পেয়ে লোনের টাকা শোধ করব কিভাবে, এই প্রশ্ন মাথায় নিয়েই তারা রাজ্য সরকারের কাছে এবং কেন্দ্র সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আন্দোলনের পথে নেমে পড়েছেন।
ভিডিওটি দেখতে অবশ্যই ক্লিক করুন
তাদের দাবি আমাদের সমস্ত লোন মুকুব করা হোক যাতে করে আমরা আমাদের এই বড় বিপদ থেকে খেয়ে পরে বাঁচতে পারি।
তাই তারা সমস্ত বন্ধন লোন গড়ি তাদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তারাও যেন এই আন্দোলনের সঙ্গ দেন।
তবে আমাদের তরফ থেকে আপনাদেরকে জানাবো আপনারা এই কঠিন পরিস্থিতিতে কেউ বাড়ি থেকে বের হবেন না যতটা সম্ভব বাড়ির ভিতর থাকুন সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।
ছোটখাটো ব্যবসার উন্নতির জন্য অথবা মুদি দোকানের ব্যবসা এবং মহিলাদের স্বনির্ভর করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঋণ দেয়া হয়ে থাকে তবে বর্তমানে ভাইরাসের কারণে বহু জায়গায় লোন দেয়া বন্ধ করা হয়েছিল । তবে লকডাউন শিথিল হওয়াতে যেসব জায়গাগুলিতে গ্রীন জোন বলা হয়েছে সেই সব জায়গাতে নতুন করে প্রস্তুতি শুরু করেছেন বন্ধন ব্যাংক।
ঠিক এইরকম সময় দেই বহু স্বনির্ভর গোষ্ঠী দল তারা লোন মুকুব এর জন্য নেমে পড়েছেন আন্দোলনে প্রত্যেক ব্যাংকের সামনে।
এমনই বহু সংখ্যক ঋণগ্রহীতা স্বনির্ভর গোষ্ঠী উদাহরণস্বরূপ কালিয়াচক হাওড়া বর্ধমান প্রভৃতি জায়গার স্বনির্ভর গোষ্ঠী লোন মুকুব এর জন্য আর্জি জানানো শুরু করে দিয়েছেন।
কালিয়াগঞ্জে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দাবি তারা 2007 সাল থেকে বন্ধন ব্যাংক এর কাছ থেকে একের পর এক লোন নিয়েছেন এবং সেই লোন পরিশোধ করেছেন ঠিক সময়ে। এনাদের বক্তব্য আমরা লোন নিয়ে থাকি আমাদের স্বামীদের পাশে সংসারের কাজে সাহায্য করার জন্য তাছাড়া নিজেরাও চেষ্টা করি বিভিন্ন ছোটখাটো ব্যবসা করে স্বনির্ভর হওয়ার জন্য।
ঠিক তেমন ভবেই প্রত্যেক বারের মতো এবারেও আমরা লোন নিয়েছিলাম বন্ধন ব্যাংক থেকে তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে আমরা কখনোই ভাবি নি।
এনাদের বক্তব্য আমরা লকডাউন এর আগে পর্যন্ত বন্ধন ব্যাংকে থেকে যে লোন নিয়েছিলাম সেই লনের নিয়মিতভাবে খিস্তি দিয়ে যাচ্ছিলাম,
কিন্তু বর্তমানে লকডাউন পড়ে যাওয়াতে আমাদের ঘরে ঠিকঠাক উনুনে জ্বালাতে পারছিনা, পেটে খিদে নিয়ে নিজেরা না খেতে পেয়ে লোনের টাকা শোধ করব কিভাবে, এই প্রশ্ন মাথায় নিয়েই তারা রাজ্য সরকারের কাছে এবং কেন্দ্র সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আন্দোলনের পথে নেমে পড়েছেন।
তাদের দাবি আমাদের সমস্ত লোন মুকুব করা হোক যাতে করে আমরা আমাদের এই বড় বিপদ থেকে খেয়ে পরে বাঁচতে পারি।
তাই তারা সমস্ত বন্ধন লোন গড়ি তাদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তারাও যেন এই আন্দোলনের সঙ্গ দেন।
তবে আমাদের তরফ থেকে আপনাদেরকে জানাবো আপনারা এই কঠিন পরিস্থিতিতে কেউ বাড়ি থেকে বের হবেন না যতটা সম্ভব বাড়ির ভিতর থাকুন সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।


Comments
Post a Comment