দক্ষিণ চীন সাগর কি হবে যুদ্ধক্ষেত্র ? যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করল আমেরিকা, ভারতের সঙ্গে রয়েছে আরও দেশ
নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ চীন সাগরে বহুদিন ধরেই চীন তাদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং সেই সঙ্গে আশেপাশের যে সমস্ত প্রতিবেশী দেশগুলির রয়েছে তাদের সবার উপর চাপ সৃষ্টি করে দক্ষিণ চীন সাগরের বিশাল অংশ নিজেদের কব্জায় নেওযর চেষ্টা করছে চীন।
চীনের এই আগ্রাসন নীতির বিরোধিতা করেছে চীনের পাশে থাকা বেশিরভাগ প্রতিবেশী দেশ। চীনের সীমান্ত বরাবর যতগুলি প্রতিবেশী দেশ রয়েছে তাদের প্রত্যেকের সীমান্তে কিছু না কিছু জায়গা জোর করে দখল করে নিয়েছে চীন ।এখন দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে ।
আর তার জেরেই যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণ চীন সাগরে। এখন ভারতের সঙ্গে সঙ্গ দেয়ার জন্য রয়েছে আমেরিকা, জাপান,ব্রিটেন ,অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন এবং আরো অন্যান্য দেশ।
চীনের একের পর এক আগ্রাসন নীতির জন্য দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে আমেরিকা। সেইসঙ্গে ব্রিটেন ও জাপান দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের অধিকার বজায় রাখার জন্য যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছেন।চীনের এই নীতির বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেয়ার জন্য ভারতের সঙ্গে এইসব দেশগুলিও চীনের বিরুদ্ধে।
তাহলে কি সমুদ্র হবে যুদ্ধক্ষেত্র ? চীনের সবথেকে বড় সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস প্রতিনিয়ত শক্তি সারা বিশ্বকে ভয় দেখাচ্ছে। এই সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে চীনের কাছে রয়েছে-ডলফিন ২০/২১ মিসাইল। এই সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে এই মিসাইল এর মাধ্যমে আমেরিকার সমস্ত যুদ্ধবিমান কে ধ্বংস করা সম্ভব।
এই খবরটি কতটা সত্য তা এখনো পর্যন্ত যাচাই হয়নি। তবে সারা পৃথিবী জানে আমেরিকার কাছে আকাশ পথে যুদ্ধ করার মতো ক্ষমতা সারা পৃথিবীতে এখনো পর্যন্ত কোন দেশের নেই তাদের কাছে রয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান।
চীন যেভাবে একের পর এক আগ্রাসন করার চেষ্টা করছে এবং দক্ষিণ চীন সাগরে যেভাবে তাদের অধিকার দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেয়ার জন্য আমেরিকা সরকার USS DONALD এবং আরো একটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছেন দক্ষিণ চীন সাগরে।
পৃথিবীতে সবথেকে বেশি এয়ারক্রাফট জাহাজ রয়েছে আমেরিকার কাছে, চলুন জেনে নেওয়া যাক এয়ারক্রাফট জাহাজ কি?
এয়ারক্রাফট জাহাজ হল সেই জাহাজ যে জাহাজের উপর একসঙ্গে বহু যুদ্ধবিমান নামতে পারে অথবা ওই জাহাজ দেখে বহু যুদ্ধবিমান কে একসঙ্গে উঠানো যেতে পারে।
আমেরিকার কাছে যে এয়ারক্রাফট রয়েছে তাতে একসঙ্গে 60 টি যুদ্ধবিমান একসঙ্গে ওঠানামা করতে পারবে।
চীনের এই বিস্তার রাজনীতির জন্য খুব শীঘ্রই হয়ত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে এমনটাই ধারণা করছে বিশেষজ্ঞগণ।
ভারতের সঙ্গে ঝামেলা হওয়ার পর চীন প্রতিনিয়ত দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধ অভ্যাস চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে সারাবিশ্ব এটিকে কটু দৃষ্টিতে দেখছে।
চীনের সীমান্তে থাকা 18 টি দেশের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে ঝামেলা চলছে, অর্থাৎ এর থেকেই বোঝা যায় চীন যেভাবে আগ্রাসন নীতি নিয়ে এগিয়ে চলেছে তাতে করে চীনের জন্য আগামীকাল ঘটতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং এই যুদ্ধ শুরু হতে পারে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে।
দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের যুদ্ধ অভ্যাস কে বিরোধিতা করেছে ফিলিপাইন দ্বীপ। কিন্তু ছোট দেশ হওয়ার জন্য ফিলিপাইনকে কোনরকম পাত্তাই দেয়নি চীন তাই চীনের বিরুদ্ধে বর্তমানে ফিলিপাইনো ভারতের পাশে রয়েছে।
চীন এমন একটা দেশ যে শুধুমাত্র নিজে যেটা বোঝ সেটাই করে, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কোন রকম সমঝোতা করে না যদি কোন কম শক্তিধর দেশ হয় তাহলে তাদের উপর সর্বদা চাপ সৃষ্টি করে কিন্তু বুঝতে পারেনি ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করতে গিয়ে সে নিজেই চাপে পড়ে যাবে!
দক্ষিণ চীন সাগরে থাকা নিয়ে চীনের সঙ্গে ভিয়েতনামের বিরোধিতা সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে এমন বহু দ্বীপ রয়েছে যাদের সঙ্গে চীনের বিরোধ রয়েছে।
এবার জানা যাক দক্ষিণ চীন সাগর কে ই কেন চিন্তা দের অধিকারের মধ্যে আনতে চাইছে?
দক্ষিণ চীন সাগর এমন একটি জায়গা যেখান থেকে সারা পৃথিবীর সব থেকে বড় বড় দেশগুলো তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের বেশিরভাগ পণ্যগুলি এই পথ দিয়ে যায় যেমন ব্রিটেন তদের মোট ব্যবসার 12% দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে নিয়ে যায় অর্থাৎ কয়েক বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে ব্রিটেনের এই পথ ধরেই।
তেমনি ভারত-আমেরিকা ছাড়া বহু দেশ এই পথ দিয়ে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় তবে চিন্তায় দক্ষিণ চীন সাগরের পুরো অংশটাই তাদের দখলে চলে আসুক।
করোনা ভাইরাসের মহামারী নিয়ে এমনিতেই চিন সারা বিশ্বের কাছে সন্দেহের পাত্র হয়েছে। তার ওপর এইরকম আগ্রাসন নীতির জন্য ভারতের পর আমেরিকার সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে চীনের।
ভারতের সীমানা রক্ষা করার জন্য ভারত নিজেদের বায়ুসেনা মোতায়েন করেছে এল এস সি তে অর্থাৎ ভারতীয় বর্ডারে বর্তমানে বায়ুসেনা ছাড়াও স্থলবাহিনী রয়েছে সঙ্গে রয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র আগ্নেয়াস্ত্র যারা ভারত নিজের দেশকে রক্ষা করতে সক্ষম।
আন্দামান থেকে ভারতের প্রত্যেকটা সীমানা পর্যন্ত ভারতীয় সেনারা তাদের সীমানা রক্ষায় তৎপর। দক্ষিণ সাগরেও ভারত তাদের সীমানা রক্ষার্থে বিশেষভাবে তৎপর।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ভারতের এক ইঞ্চি ইঞ্চি জমি রক্ষা করার জন্য ভারত যথেষ্ট সক্ষম ভারতের দিকে আঙ্গুল তুলে তাকালে ভারত তার সঠিক জবাব দিতে জানে।
ভারত যেমন প্রতিবেশীদের আতিথেয়তা করতে পারে তেমন নিজেদের মাতৃভূমি রক্ষা করার জন্য নিজেদের জীবন দিয়ে দিতে পারে তাই ভারতের দিকে যদি কেউ কটু দৃষ্টিতে চায় ভারত আর কঠিন জবাব দিয়ে দেবে।
জয় হিন্দ বন্দেমাতারাম ভারত মাতা কি জয়।
চীনের এই আগ্রাসন নীতির বিরোধিতা করেছে চীনের পাশে থাকা বেশিরভাগ প্রতিবেশী দেশ। চীনের সীমান্ত বরাবর যতগুলি প্রতিবেশী দেশ রয়েছে তাদের প্রত্যেকের সীমান্তে কিছু না কিছু জায়গা জোর করে দখল করে নিয়েছে চীন ।এখন দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে ।
আর তার জেরেই যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণ চীন সাগরে। এখন ভারতের সঙ্গে সঙ্গ দেয়ার জন্য রয়েছে আমেরিকা, জাপান,ব্রিটেন ,অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন এবং আরো অন্যান্য দেশ।
চীনের একের পর এক আগ্রাসন নীতির জন্য দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে আমেরিকা। সেইসঙ্গে ব্রিটেন ও জাপান দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের অধিকার বজায় রাখার জন্য যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছেন।চীনের এই নীতির বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেয়ার জন্য ভারতের সঙ্গে এইসব দেশগুলিও চীনের বিরুদ্ধে।
তাহলে কি সমুদ্র হবে যুদ্ধক্ষেত্র ? চীনের সবথেকে বড় সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস প্রতিনিয়ত শক্তি সারা বিশ্বকে ভয় দেখাচ্ছে। এই সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে চীনের কাছে রয়েছে-ডলফিন ২০/২১ মিসাইল। এই সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে এই মিসাইল এর মাধ্যমে আমেরিকার সমস্ত যুদ্ধবিমান কে ধ্বংস করা সম্ভব।
এই খবরটি কতটা সত্য তা এখনো পর্যন্ত যাচাই হয়নি। তবে সারা পৃথিবী জানে আমেরিকার কাছে আকাশ পথে যুদ্ধ করার মতো ক্ষমতা সারা পৃথিবীতে এখনো পর্যন্ত কোন দেশের নেই তাদের কাছে রয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান।
চীন যেভাবে একের পর এক আগ্রাসন করার চেষ্টা করছে এবং দক্ষিণ চীন সাগরে যেভাবে তাদের অধিকার দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেয়ার জন্য আমেরিকা সরকার USS DONALD এবং আরো একটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছেন দক্ষিণ চীন সাগরে।
পৃথিবীতে সবথেকে বেশি এয়ারক্রাফট জাহাজ রয়েছে আমেরিকার কাছে, চলুন জেনে নেওয়া যাক এয়ারক্রাফট জাহাজ কি?
এয়ারক্রাফট জাহাজ হল সেই জাহাজ যে জাহাজের উপর একসঙ্গে বহু যুদ্ধবিমান নামতে পারে অথবা ওই জাহাজ দেখে বহু যুদ্ধবিমান কে একসঙ্গে উঠানো যেতে পারে।
আমেরিকার কাছে যে এয়ারক্রাফট রয়েছে তাতে একসঙ্গে 60 টি যুদ্ধবিমান একসঙ্গে ওঠানামা করতে পারবে।
চীনের এই বিস্তার রাজনীতির জন্য খুব শীঘ্রই হয়ত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে এমনটাই ধারণা করছে বিশেষজ্ঞগণ।
ভারতের সঙ্গে ঝামেলা হওয়ার পর চীন প্রতিনিয়ত দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধ অভ্যাস চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে সারাবিশ্ব এটিকে কটু দৃষ্টিতে দেখছে।
চীনের সীমান্তে থাকা 18 টি দেশের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে ঝামেলা চলছে, অর্থাৎ এর থেকেই বোঝা যায় চীন যেভাবে আগ্রাসন নীতি নিয়ে এগিয়ে চলেছে তাতে করে চীনের জন্য আগামীকাল ঘটতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং এই যুদ্ধ শুরু হতে পারে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে।
দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের যুদ্ধ অভ্যাস কে বিরোধিতা করেছে ফিলিপাইন দ্বীপ। কিন্তু ছোট দেশ হওয়ার জন্য ফিলিপাইনকে কোনরকম পাত্তাই দেয়নি চীন তাই চীনের বিরুদ্ধে বর্তমানে ফিলিপাইনো ভারতের পাশে রয়েছে।
চীন এমন একটা দেশ যে শুধুমাত্র নিজে যেটা বোঝ সেটাই করে, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কোন রকম সমঝোতা করে না যদি কোন কম শক্তিধর দেশ হয় তাহলে তাদের উপর সর্বদা চাপ সৃষ্টি করে কিন্তু বুঝতে পারেনি ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করতে গিয়ে সে নিজেই চাপে পড়ে যাবে!
দক্ষিণ চীন সাগরে থাকা নিয়ে চীনের সঙ্গে ভিয়েতনামের বিরোধিতা সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে এমন বহু দ্বীপ রয়েছে যাদের সঙ্গে চীনের বিরোধ রয়েছে।
এবার জানা যাক দক্ষিণ চীন সাগর কে ই কেন চিন্তা দের অধিকারের মধ্যে আনতে চাইছে?
দক্ষিণ চীন সাগর এমন একটি জায়গা যেখান থেকে সারা পৃথিবীর সব থেকে বড় বড় দেশগুলো তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের বেশিরভাগ পণ্যগুলি এই পথ দিয়ে যায় যেমন ব্রিটেন তদের মোট ব্যবসার 12% দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে নিয়ে যায় অর্থাৎ কয়েক বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে ব্রিটেনের এই পথ ধরেই।
তেমনি ভারত-আমেরিকা ছাড়া বহু দেশ এই পথ দিয়ে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় তবে চিন্তায় দক্ষিণ চীন সাগরের পুরো অংশটাই তাদের দখলে চলে আসুক।
করোনা ভাইরাসের মহামারী নিয়ে এমনিতেই চিন সারা বিশ্বের কাছে সন্দেহের পাত্র হয়েছে। তার ওপর এইরকম আগ্রাসন নীতির জন্য ভারতের পর আমেরিকার সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে চীনের।
ভারতের সীমানা রক্ষা করার জন্য ভারত নিজেদের বায়ুসেনা মোতায়েন করেছে এল এস সি তে অর্থাৎ ভারতীয় বর্ডারে বর্তমানে বায়ুসেনা ছাড়াও স্থলবাহিনী রয়েছে সঙ্গে রয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র আগ্নেয়াস্ত্র যারা ভারত নিজের দেশকে রক্ষা করতে সক্ষম।
আন্দামান থেকে ভারতের প্রত্যেকটা সীমানা পর্যন্ত ভারতীয় সেনারা তাদের সীমানা রক্ষায় তৎপর। দক্ষিণ সাগরেও ভারত তাদের সীমানা রক্ষার্থে বিশেষভাবে তৎপর।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ভারতের এক ইঞ্চি ইঞ্চি জমি রক্ষা করার জন্য ভারত যথেষ্ট সক্ষম ভারতের দিকে আঙ্গুল তুলে তাকালে ভারত তার সঠিক জবাব দিতে জানে।
ভারত যেমন প্রতিবেশীদের আতিথেয়তা করতে পারে তেমন নিজেদের মাতৃভূমি রক্ষা করার জন্য নিজেদের জীবন দিয়ে দিতে পারে তাই ভারতের দিকে যদি কেউ কটু দৃষ্টিতে চায় ভারত আর কঠিন জবাব দিয়ে দেবে।
জয় হিন্দ বন্দেমাতারাম ভারত মাতা কি জয়।








Comments
Post a Comment