Posts

Showing posts from December, 2020

যুবশ্রী প্রকল্পে দেয়া হচ্ছে নতুন সুবিধা ও নূতন আবেদনের সুযোগ, কিভাবে আবেদন করবেন?

Image
 যুবশ্রী প্রকল্প দপ্তর বা বিভাগের নাম : শ্রম দপ্তর ‘যুবশ্রী’ প্রকল্পের উদ্দেশ্য ‘যুবশ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের শ্রম দপ্তরের অধীন এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংক-এ নথিবদ্ধ অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী যুবক- যুবতীরা মাসে ১৫০০ টাকা হারে ভাতা পান। এই প্রকল্পে উপভোক্তার সংখ্যা ২.২ লক্ষ। ২০১৩ সালের ৩ অক্টোবর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে যুবশ্রী প্রকল্পের সূচনা করেন। নথিভুক্ত যুবক-যুবতীরা যাতে নানা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারেন বা তাঁদের শিক্ষা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন সেই উদ্দেশ্যেই এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের অধীন ভাতা-প্রাপকদের প্রতি ৬ মাস অন্তর তাদের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য এবং তিনি এখনও প্রকল্পের সমস্ত যোগ্যতাবলির অধিকারী কিনা সেই সংক্রান্ত একটি স্ব-ঘোষণা জমা করতে হয়। এই প্রকল্পের সহায়তা নিয়ে যাঁরা চাকরি পাবেন বা স্বনির্ভর হবেন তাঁরা আর এই আর্থিক সহায়তা পাবেন না। পরিবর্তে নতুন চাকরিপ্রার্থীরা পর্যায়ক্রমিকভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। ‘যুবশ্রী’ প্রকল্পে কারা আবেদনের যোগ্য ‘চাকরিপ্রার্থী’ হিসেবে রা...

5000 টাকা পাবেন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে, জেনে নিন আবেদনের পদ্ধতি- কি কি লাগবে

Image
  কৃষক বন্ধু প্রকল্পের কিভাবে 5000 টাকা পাওয়া যাবে- প্রকল্পের উদ্দেশ্য; -1) চাষ শুরুুু করার আগে কৃষকদেের কৃষি উপকরণ কেনার জন্য অর্থ প্রদান করে সাহায্য করা। 2) অসময়ে কৃষকদের মৃত্যুতে তার পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা। প্রকল্পের সুবিধা;- কৃষক বন্ধু প্রকল্পেে যে সমস্ত কৃষকদের এক একর জমি বা তার থেকে বেশিি জমি রয়েছে তাদেরকে বছরে 5 হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান দেয়াা হবে। যে সমস্ত চাষী বা ভাগচাষী এক একর এর কম জমি রয়েছে তাদেরকে আনুপাতিক হারেে সাহায্য করা হবে, তবে সর্বনিম্ন 2 হাজার টাকা অনুদান পাওয়া যাবে, এই প্রকল্পে।

জেনে নিন স্বাস্থ্যসাথী সম্পর্কে বিস্তারিত, এতকিছু এর আগে হয়তো জানেন নি!

Image
স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে- স-স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প এমন একটি প্রকল্প যেখানে আপনার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে 5 লক্ষ টাকার চিকিৎসা পেয়ে যাবেন চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে এই সুবিধা পাবেন এবং তার জন্য কি কি করতে হবে- পশ্চিমবঙ্গের দরিদ্র মানুষের বিনা পয়সায় চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প চালু হয় | স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প ঘোষণা হয় 17 ই ফেব্রুয়ারি 2016 সালে | এই স্কিমটি আনুষ্ঠানিকভাবে 30th ডিসেম্বর 2016 এ মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করেন | প্রতিবছর 1.5 লক্ষ টাকা থেকে 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া যায় বিনা পয়সায় | স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য :- কার্ডের মেয়াদ এক বছর এবং প্রতিবছর পুনরায় নবীকরণ যোগ্য প্রতিবছর 1 লক্ষ 50 হাজার টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে যার সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার হাসপাতালে থাকাকালীন রোগীর সকল প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সমস্ত ঔষধপত্র বিনামূল্যে দেওয়া হবে বিশেষ কিছু অসুখের ক্ষেত্রে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পরিষেবা পাওয়া যাবে যেমন – ...